টিকটক থেকে টাকা ইনকাম
আমাদের মধ্যে অনেকেই দীর্ঘদিন যাবত টিকটক একাউন্ট ব্যবহার করছেন। কিন্তু সেই টিকটিক একাউন্ট থেকে কোন ধরনের টাকা আয় করতে পারছেন না। আবার আমাদের দেশে অনেক টিকটক ইউজার রয়েছেন যারা দীর্ঘদিন ধরে টিকটক থেকে টাকা আয় করছেন।আমাদের মধ্যে অনেকে টিকটক থেকে টাকা আয় করা যায় এ কথাটি বিশ্বাস করেন। আবার অনেকে প্রশ্ন করে থাকেন টিকটকে কিভাবে টাকা আয় করা যায়। টিকটক থেকে টাকা আয় করার অনেক উপায় রয়েছে। আপনি সেই উপায়গুলো অবলম্বন করে খুব সহজে বাড়িতে বসে টিকটক থেকে টাকা আয় করতে পারেন।
এক্ষেত্রে শুধুমাত্র আপনাকে আপনার মেধা শক্তি কাজে লাগাতে হবে। আপনি খুব সহজে কিছু ট্রিক অবলম্বন করে প্রতি মাসে ভাল পরিমাণ টাকা টিকটকের মতো প্লাটফর্ম থেকে আয় করতে পারেন। আজকের আর্টিকেলে টিকটক থেকে টাকা ইনকাম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।
টিকটক থেকে টাকা ইনকাম?
নিচে টিকটক থেকে টাকা ইনকাম করার উপায় গুলো দেওয়া হলোঃ
- টিকটকে প্রোডাক্ট সেল করে
- টিকটক Gifts এর মাধ্যমে
- টিকটকে ফান্ড সংগ্রহ করে
- প্রোডাক্ট রিভিউ করে
- ব্র্যান্ড পার্টনারশিপ করে
- টিকটক মনিটাইজেশন এর মাধ্যমে
- টিকটকে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে
- টিকটকে নিজের বিজ্ঞাপন দেখিয়ে
- টিকটক থেকে অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে ট্রাফিক ট্রান্সফার করে
- টিকটক সেলিব্রেটি হিসাব
টিকটকে প্রোডাক্ট সেল করে
টিকটকে বিভিন্ন ধরনের প্রোডাক্ট সেল করে অনেক টাকা আয় করা। আপনি যদি নিয়মিতভাবে টিকটিক একাউন্টে ভিডিও আপলোড করেন। তখন আপনার ফলোয়ারের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাবে। তখন আপনি আপনার ফলোয়ারদের কাছে যেকোন ধরনের প্রোডাক্ট বিক্রি করতে পারেন।
মনে করুন টিকটকে আপনি একজন ভাল মানের অভিনেতা। আপনি সকলে কাছে খুবেই পরিচিত একজন মানুষ। আপনি যদি টিকটকে একাউন্টে নিয়মিতভাবে ভিডিও আপলোড করেন। তাহলে আপনার ফলোয়ার সংখ্যা দিন দিন বাড়বে। আর আপনি এই ভিডিও গুলোর মাঝখানে যদি কোন ধরনের প্রোডাক্ট সম্পর্কে আপনার ফলোয়ারদেরকে বিস্তারিত জানান।
তাহলে তারা সে প্রোডাক্টটি কিনতে আগ্রহী হবেন। আর এভাবে আপনি প্রোডাক্ট সেল করে টিকটিক থেকে ভাল পরিমাণ টাকা আয় করতে পারেন।
টিকটক Gifts এর মাধ্যমে
টিকটক থেকে Gifts এর মাধ্যমে খুব সহজে টাকা আয় করতে পারেন। টিকটক Gifts হলো সবচাইতে টাকা আয়ের সেরা উপায়। আপনি যদি নিয়মিতভাবে টিকটকে ভিডিও আপলোড করেন, তাহলে আপনার ফলোয়ার সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাবে। আর এভাবে আপনার অধিক সংখ্যক ফলোয়ার হলে তারা আপনাকে Gifts হিসেবে অনেক কয়েন উপহার দেবে।
তাদের দেওয়া কয়েন গুলো আপনার টিকটক একাউন্টে জমা হবে। আপনার গিফট পাওয়া কয়েন একত্রিত করে সেগুলো বাংলাদেশী টাকায় বিক্রি করে ভাল পরিমাণ টাকা আয় করতে পারেন। আর এভাবে আপনি টিকটক থেকে হাজার হাজার টাকা আয় করতে পারেন।
টিকটকে ফান্ড সংগ্রহ করে
আপনার টিকটকে একাউন্টে যদি অধিক পরিমাণে ফলোয়ার থাকে। তাহলে আপনি তাদের কাছ থেকে কিছু ফান্ড হিসাবে টাকা সংগ্রহ করতে পারেন। মনে করুন আপনি অসহায় ও দরিদ্রদের সহযোগিতায় কাজ করছেন। অথবা কোন একটি ভাল কাজের সঙ্গে যুক্ত আছেন। আর সেই ভিডিও গুলো আপনি আপনার টিকটক একাউন্টে নিয়মিতভাবে পাবলিশ করে যাচ্ছেন।
আর এই ভিডিও গুলো দেখে দেশ কিংবা বিদেশের বিভিন্ন ধরনের ব্যক্তিরা আপনাকে কিছু ফান্ড হিসেবে টাকা পাঠাবেন। আর এই টাকা দিয়ে আপনি অসহায় ও দরিদ্রের জন্য সাহায্য ও সহযোগিতা করতে পারেন।
প্রোডাক্ট রিভিউ করে
আপনি যদি টিকটকে একজন পরিচিত মুখ হন। সেক্ষেত্রে বিভিন্ন কোম্পানি তাদের প্রোডাক্টের রিভিউ করার জন্য আপনাকে অফার করতে পারে। আপনি তাদের প্রোডাক্টের উপকারীর দিক, গুণাগুণ ও দাম সম্পর্কে বিস্তারিত ভিডিও তৈরি করে তা সোশ্যাল মিডিয়া শেয়ার করুন।
আর এই ভিডিও গুলো শেয়ার করলে তাদের প্রোডাক্টের পরিচিতি অনেক বাড়বে। এবং বিক্রি অনেকটা বৃদ্ধি পাবে। বিনিময়ে সেই কোম্পানির পক্ষ থেকে আপনাকে কিছু পরিমাণ টাকা দেওয়া হবে। আর এভাবে আপনি প্রোডাক্ট রিভিউ করে ভাল পরিমাণ টাকা আয় করতে পারেন।
ব্র্যান্ড পার্টনারশিপ করে
আপনার যদি কোন ধরনের কোম্পানি থাকে। সেক্ষেত্রে আপনি পার্টনারশিপ অথবা যেকোন একটি ব্র্যান্ড তৈরি করে তার প্রচার এবং প্রসার করতে পারেন। যার ফলে আপনার ব্র্যান্ডের প্রচার বৃদ্ধি হলে আপনার প্রোডাক্ট বেশি পরিমাণ বিক্রি হবে।
যার ফলে আপনি সেখান থেকে ভাল পরিমাণ টাকা আয় পারেন। আর এভাবে আপনি ব্র্যান্ড পার্টনারশিপের মাধ্যমে ভাল পরিমাণ টাকা আয় করতে পারেন।
টিকটক মনিটাইজেশন এর মাধ্যমে
বর্তমানে টিকটক মনিটাইজেশনের মাধ্যমে টাকা আয় করা যায়। টিকটকে মনিটাইজেশন ফিচারটি এতো দিনে ছিল না। ইহা কিছু দিন আগে টিকটিকে যোগ করা হয়েছে। আর এই অপশনটির মাধ্যমে আপনি ইউটিউব, ফেসবুক ও টুইটার এর মতো মনিটাইজেশন চালু করে টাকা আয় করতে পারেন।
আপনি টিকটকে ভিডিও আপলোড করে মনিটাইজেশন অপশনটি চালু করতে পারেন। টিকটকে মনিটাইজেশন চালু করার জন্য আপনার টিকটক একাউন্টের বয়স ত্রিশ দিন হতে হবে। এবং টিকটিক অ্যাকাউন্ট ব্যবহারকারীর বয়স অবশ্যই ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে হতে হবে।
এছাড়াও আপনার একাউন্টে মিনিমাম ১০০০০ হাজার ফলোয়ার থাকতে হবে। এবং আপনার মোট টিকটক ভিডিওর ভিউ সংখ্যা গত ত্রিশ দিনে ১ লাখ হতে হব। আপনার ভিডিওতে কোন ধরনের কমিউনিটি গাইডলাইন থাকা যাবে না। তাহলে আপনি টিকটিকে মনিটাইজেশনের জন্য আবেদন করতে পারেন।
আপনার টিকটক একাউন্টে মনিটাইজেশন চালু হলে তারা আপনার ভিডিওতে নানান ধরনের এড শো করাবেন। আর সেই এডের বিনিময়ে আপনি টিকটক থেকে ভাল পরিমাণ টাকা আয় করতে পারেন।
টিকটকে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে
আপনার যদি টিকটকে অধিক পরিমাণে ফলোয়ার থাকে। তাহলে আপনি টিকটকে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে ভাল পরিমাণ টাকা আয় করতে পারেন। অনেক ধরনের অ্যাফিলিয়েট কোম্পানি আছে যারা প্রোডাক্ট বিক্রির মাধ্যমে কমিশন দিয়ে থাকেন।
আপনি সেই প্রোডাক্টগুলো আপনার ফলোয়ারদের কাছে বিক্রয় করতে পারেন। কিংবা আপনার রেফার লিংক শেয়ার করে প্রোডাক্ট বিক্রি করে তার কমিশন হিসেবে ভাল পরিমাণ টাকা আয় করতে পারেন।
টিকটকে নিজের বিজ্ঞাপন দেখিয়ে
মনে করুন আপনার কোন ধরনের ব্যবসা, ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেজ আছে। এখন আপনি চাইলে আপনার টিকটক একাউন্টে আপনার সেই ফেসবুক পেজ কিংবা আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বিজ্ঞাপন দিতে পারেন। অথবা যেকোন ধরনের প্রোডাক্টের বিজ্ঞাপন আপনার ফলোয়ারদের মাঝে শেয়ার করতে পারেন।
আর এতে করে আপনার ফলোয়াররা সে প্রোডাক্টটি দেখে ক্রয় করার আগ্রহ প্রকাশ করবে। এবং এতে করে আপনার ব্যবসার প্রচার এবং প্রসার ঘটবে। আর এভাবে আপনি টিকটকে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে ভাল পরিমাণ টাকা আয় করতে পারেন।
টিকটক থেকে অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে ট্রাফিক ট্রান্সফার করে
মনে করুন আপনার একটি ফেসবুক পেজ, ইউটিউব চ্যানেল ও ওয়েবসাইট আছে। এর মধ্যে কোন একটিতে আপনি গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে কিংবা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে ভাল পরিমাণ টাকা আয় করছেন।
এখন আপনি আপনার টিকটক ফলোয়ারদেরকে আপনার উল্লেখিত একাউন্ট গুলোর সম্পর্কে বিস্তারিত ভিডিওর মাধ্যমে সহজে জানাতে পারেন। আর এই ভিডিও দেখে যারা আপনার অন্যান্য প্ল্যাটফর্মের একাউন্ট গুলোতে প্রবেশ করবে।
এর বিনিময়ে আপনি সেই অ্যাকাউন্টগুলো থেকে আপনি টাকা আয় করতে পারেন। আর এভাবে আপনি টিকটক থেকে আপনার ফলোয়ারদের অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে নিয়ে গিয়ে গুগল এডসেন্স ও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে ভাল পরিমাণ টাকা আয় করতে পারেন।
টিকটক সেলিব্রেটি হিসাব
আপনি যদি টিকটকে পরিচিত মুখ বা ভালো মানের একজন সেলিব্রেটি হয়ে ওঠেন। তাহলে অনেক কোম্পানি আছে যারা আপনার সাথে কাজ করতে আগ্রহী হবে। ধরুন আপনি কোন কোম্পানি কিংবা প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে ভিডিও করে বিজ্ঞাপন হিসেবে আপনার টিকটক একাউন্টে কিংবা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াতে সেই ভিডিও শেয়ার করলেন৷
আপনার ভিডিও দেখে আপনার ফ্যান, ফলোয়াররা সে প্রতিষ্ঠান কিংবা কোম্পানিতে যোগাযোগ করলে তাদের ব্যবসার প্রচার ও প্রসার ঘটবে। আর এভাবে আপনি সেলিব্রেটি হিসেবে টিকটক থেকে ভাল পরিমাণ টাকা আয় করতে পারবেন।
টিকটক ক্রিয়েটর ফান্ড কত টাকা দেয়?
একজন টিকটক একাউন্ট নির্মাতা টিকটক ক্রিয়েটর ফান্ড থেকে প্রতি ভিউ এর জন্য ০.০২ থেকে ০.০৪ সেন্ড আয় করতে পারেন। তবে দেশভেদে এর মধ্যে কিছুটা পার্থক্য হতে পারে। তাছাড়া টিকটক লাইক, কমেন্ট, ফলোয়ার ও শেয়ারের উপর এই টাকার পরিমাণ কিছুটা কম বেশি হতে পারে।
টিকটক প্রতিষ্ঠাতা কে?
টিকটক প্রতিষ্ঠাতা হলো ঝাং ইয়েমিং।
টিকটক এর ইতিহাস?
আন্তর্জাতিকভাবে ২০১৭ সালে টিকটিক লঞ্চ করা হয়। টিকটক হলো একটি শর্ট ভিডিও মেকিং প্ল্যাটফর্ম। যা বর্তমানে পুরো পৃথিবীতেই জনপ্রিয়। বর্তমানে এই অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস অপারেটিং সিস্টেমগুলোতে পরিচালনা করা যাচ্ছে।
ভিডিও শেয়ারিং ভালভাবে করার জন্য ওয়েবসাইটটি প্রতিনিয়ত নিত্য নতুন আপডেট নিয়ে আসছে। বর্তমানে টিকটক অ্যাপের মাসিক ব্যবহারকারীর সংখ্যা হলো ১ বিলিয়ন। টিকটক ব্যবহারকারীদের সুবিধার জন্য অ্যাপটিতে মোট ৭৫টিরও বেশি ভাষা ব্যবহার করার সুযোগ আছে।
যার ফলে বিভিন্ন দেশের এবং ভাষাগোষ্ঠীর ব্যবহারকারীরা খুব সহজেই এই অ্যাপসটি ব্যবহার করতে পারে। বিনোদন, নাচ, কৌতুক, গান, ইসলামিক ভিডিও এবং শিক্ষার মতো বিষয়ে সর্বোচ্চ ১০ মিনিট পর্যন্ত ভিডিও শেয়ার করা যায়।
আর এ অ্যাপটি এখন পর্যন্ত ৬২ মিলিয়নের বেশি বার ডাউনলোড করা হয়েছে। যা টিকটককে নিঃসন্দেহে পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় অ্যাপস গুলোর তালিকায় স্থান করে নিয়েছে।
টিকটক ক্ষতিকর দিক?
টিকটকের সুবিধার পাশাপাশি বর্তমানে অনেক ধরনের ক্ষতিকারক দিক আছে। যা সবার নজরে এসেছে। বিশেষ করে টিকটকের অপব্যবহারের শিকার হচ্ছেন অনেক উঠতি বয়সি তরুণ তরুণীরা। কারণ খুব অল্প সময়ের মধ্যে তারা জনপ্রিয়তা পাওয়ার আশায় অনেক ধরনের অসামাজিক কর্মকাণ্ডের ভিডিও টিকটকে প্রকাশ করতেছে।
এমনকি এজন্য অনেকে আইন কানুন ভাঙছেন। যা সবার জন্যই অনেক ক্ষতিকারক। এছাড়াও পড়াশুনা বা কোন ধরনের দক্ষতা অর্জন না করেই সস্তা জনপ্রিয়তায় আশায় টিকটক নিয়ে ব্যস্ত থাকা অনেকেই পরবর্তীতে নানা হতাশায় ভুগে থাকেন।
যা থেকে আমাদের তরুণ সমাজের বড় একটি অংশ বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক কর্মকান্ড যেমনঃ মদ, নেশা ও জুয়া ইত্যাদিতে জড়িয়ে পড়ছেন। যার কারণে অনেক বিশেষজ্ঞরাই টিকটককে সময় নষ্টকারী ও ক্ষতিকারক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। বর্তমানে অনেক দেশে টিকটকের কারণে সৃষ্ট এসব অপরাধ রোধ করার জন্য টিকটক কে ব্যান করা হয়েছে।
এছাড়াও টিকটকে থাকা বিভিন্ন ধরনের ভিডিও এবং ব্যক্তিগত তথ্যোর গোপনীয়তা লঙ্ঘন করছে। এজন্য টিকটক এর ব্যবহারে আরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন অনেক বিশেষজ্ঞরা। আর তাই আমাদের টিকটক ব্যবহারে একটু সর্তক থাকা উচিৎ।
টিকটকে কত ভিউতে কত টাকা?
আসলে সত্যি বলতে টিকটকে ভিউ এর ওপর তেমন কোন ধরনের টাকা দেওয়া হয় না। টিকটকের নিজস্ব কিছু নিয়ম কানুন রয়েছে। এর ওপর ভিত্তি করে টিকটক তাদের ভিডিও ক্রিয়েটরদেরকে কিছু টাকা দেয়। যেমনঃ আপনার টিকটক ভিডিওটি আসলে কত সেকেন্ডের, আপনার টিকটক ভিডিওটি আসলে কোন দেশের ব্যক্তিরা বেশি দেখছে তার উপর টিকটকে টাকা দেওয়া নির্ধারিত হয়।
আপনি যদি বাংলাদেশে ১ মিলিয়ন টিকটিক ভিউ পান। সেক্ষেত্রে আপনার ১৫ থেকে ২৫ ডলার আয় হতে পারে। অপরদিকে আমেরিকান ব্যক্তিরা যদি আপনার টিকটক ভিডিওতে ১ মিলিয়ন ভিউ করে।
সেক্ষেত্রে তারা ৭০ থেকে ৮০ ডলার আয় করতে পারেন। কেননা বিভিন্ন দেশ ভেদে টিকটকের রেভিনিউ এর মাত্রা কম বেশি হয়। আর তাই টিকটকে কত ভিউতে কত টাকা দেয় এটা কখনোই সঠিকভাবে বলা যায় না।
টিকটক দিয়ে কতদিন টাকা ইনকাম করা যাবে?
টিকটক কাউন্ট দিয়ে আপনি চাইলে সারা জীবনেই টাকা আয় করতে পারেন। আসলে টিকটক কোম্পানি যতদিন থাকবে, আপনিও ঠিক ততদিন টাকা আয় করতে পারেন। টিকটকে বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন দেখানো হয়।
আর এই বিজ্ঞাপন গুলো থেকে টিকটক একাউন্টের ভিডিও নির্মাতাদেরকে কিছু পরিমাণ টাকা দেওয়া হয়। আর তাই টিকটক কোম্পানি যতদিন রয়েছে, ততদিন আপনি টাকা আয় করতে পারেন।
টিকটকে কত দ্রুত টাকা আয় করা যায়?
টিকটকে বিভিন্ন উপায়ে টাকা আয় করা যায়। এখন আপনি যে উপায়ে টাকা আয় করতে চাচ্ছেন, সে উপায়টির নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম কানুন আছে। সে নিয়মটি যত দ্রুত আপনি পূরণ করতে পারবেন। তত তাড়াতাড়ি আপনি টিকটক থেকে ভাল পরিমাণ টাকা আয় করতে পারেন।
আপনি যদি সঠিকভাবে টিকটকে monetization এর মাধ্যমে টাকা আয় করতে চান। সেক্ষেত্রে টিকটক monetization দেওয়া নিয়মগুলো পূরণ করে আপনি টিকটিক মনিটাইজেশন চালু করতে পারেন। এবং টিকটক থেকে খুব ভালো পরিমাণ টাকা আয় করতে পারেন।
টিকটক থেকে কি ইনকাম করা যায়?
অনেকে অনলাইনে সার্চ দেন টিকটক থেকে কিভাবে টাকা আয় করা যায় এবং টিকটক থেকে কি আসলেই টাকা আয় করা যায়? এ প্রশ্নের উত্তরে বলবো হ্যাঁ টিকটক থেকে অবশ্যই টাকা আয় করা যায়।
টিকটক থেকে টাকা আয় করার অনেক ধরনের উপায় আছে। এর জন্য প্রয়োজন আপনার একটি টিকটক একাউন্ট এবং অধিক সংখ্যক ফলোয়ার। তাহলে আপনি সেখান থেকে নির্দ্বিধায় ভাল পরিমাণ টাকা আয় করতে পারেন।
শেষ কথা
আজকের আর্টিকেলটিতে টিকটিক থেকে টাকা ইনকাম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আশা করি আর্টিকেলটি পড়ে আপনারা অনেক উপকৃত হবেন।